Picture
মাদারীপুরের শিবচরের ইসমাইল হোসেন ইমনকে প্রেমিকা লাবনীর সাথে ত্রিভুজ প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যা করা হয়েছে । ১ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজাসহ  দুইজন মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার ২৬/০৯/২০২০ তারিখ মাদারীপুর জেলা ডিবি পুলিশ শিবচর থানাস্থ পাঁচ্চর এলাকা থেকে ৭০ বোতল ফেন্সিডিল সহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার করেছে। শিবচর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে ।মাদারীপুর জেলা পুলিশের মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের ধারা অব্যাহত থাকবে। ১৭/০৯/২০২০ তারিখে মাদারীপুর ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৩৫০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ২ জন গ্রেফতার। রাজৈর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। ২২শে সেপ্টেম্বর/২০২০ তারিখ জনাব মোঃ বদরুল আলম মোল্লা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), এর বিদায় সংবর্ধনা মাদারীপুর জেলা পুলিশের পরিবহন পুলের সঙ্গে যুক্ত হলো নতুন একটি রেকার। ২২/০৯/২০২০ তারিখে মাদারীপুর ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৩০ বোতল ফেন্সিডিল সহ একজন গ্রেফতার। সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

মাদারীপুর জেলার নামকরণ ও সংক্ষিপ্ত ধারনা


অতি প্রাচীনকালে মাদারিপুরের পূর্বাংশ ইদিলপুর এবং পশ্চিম অংশ কোটালীপাড়া নামে পরিচিত ছিল। ইদিলপুর চন্দ্রদ্বীপ রাজ্যের একটি উন্নত জনপদ ছিল। একসময় এ অঞ্চলের প্রশাসনিক নাম ছিল নাব্যমন্ডল। কোটালীপাড়া ছিল বাংলার সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্র। খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকে ইদিলপুর ও কোটালীপাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত ছিল। নন্দবংশের প্রতিষ্ঠাতা মহাপদ্মনন্দ আদতে ছিলেন গঙ্গারিডিদের রাজা, সেখান থেকেই পাটলিপুত্রে গিয়ে সাম্রাজ্যস্থাপন করেছিলেন, এমনটা মনে করেন অনেক ঐতিহাসিক। গঙ্গারিডি আর প্রাচ্য রাষ্ট্র ছিল Agrammes/Xandrames বা ঔগ্রসৈন্য (উগ্রসেনের পুত্র) নামক রাজার অধীনে। গ্রিকবীর আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় ৩২৭ খ্রিস্টপূর্বে কোটালীপাড়া অঞ্চলে গঙ্গারিডাই জাতি স্বাধীনভাবে রাজত্ব করত। তারপর এ অঞ্চল (৩২০-৪৯৬ খ্রিঃ) গুপ্ত সম্রাটদের অধীনে ছিল। ৫০৭-৮ খ্রীষ্টাব্দের কিছু আগে রাজত্ব করেছেন দ্বাদশাদিত্য - মহারাজাধিরাজ বৈন্যগুপ্ত নামক এক রাজা। কোটালীপাড়া অঞ্চলের পাঁচটি আর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান অঞ্চলে প্রাপ্ত একটি, সর্বমোট ছয়খানা পট্টোলীতে তিনজন মহারাজাধিরাজের তথ্য পাওয়া যায়। গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য এবং নরেন্দ্রাদিত্য সমাচারদেব। এরা ৫৪০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করছেন।[৫] বাংলার স্বাধীন শাসক শশাঙ্কের মৃত্যুর পর একশত বছর(৬৫০-৭৫০ খ্রিঃ) বাংলার ইতিহাস ‘‘মাৎস্যন্যায়’’ নামে খ্যাত, তবে ঐ সময়ে খড়গ বংশ ও দেব রাজবংশ এ অঞ্চল শাসন করে। ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে গোপালকে রাজা নির্বাচিত করা হয়। পাল বংশ ৭৫০-১১৬২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা শাসন করে, তবে রাজা দ্বিতীয় বিগ্রহপালের রাজত্বকালে (৯৬৯–৯৯৫ খ্রিঃ) পাল সাম্রাজ্য গৌড়, রাঢ়, অঙ্গ ও বঙ্গ প্রভৃতি ছোটো ছোটো রাজ্য বিভাজিত হয়ে যায়। হরিকেলের (পূর্ব ও দক্ষিণ বাংলা) কান্তিদেব ‘মহারাধিরাজ’ উপাধি গ্রহণ করেন এবং এবং একটি পৃথক রাজ্য স্থাপন করেন। পরবর্তীকালে চন্দ্র রাজবংশ এই রাজ্যটি শাসন করেছিল।[৬]

চন্দ্রবংশ দশম ও এগার শতকে স্বাধীনভাবে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গ রাজত্ব করে। চন্দ্র বংশের শ্রীচন্দ্রের তাম্রশাসন রামপাল ইদিলপুর ও কেদারপুরে পাওয়া যায়। মাদারিপুর-শরিয়তপুর চন্দ্ররাজার অধীনে ছিল। সেন রাজবংশ ১০৯৮ হতে ১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত পূর্ব বাংলা শাসন করে। কোটালীপাড়া ও মদনপাড়ায় বিশ্বরূপ সেন এবং ইদিলপুরে কেশব সেনের তাম্রলিপি পাওয়া যায়। সেন রাজাদের পতনের পর চন্দ্রদ্বীপ রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। বরিশাল বিভাগ, মাদারিপুর, শরিয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাট জেলা চন্দ্রদ্বীপ রাজ্যের অধীনে ছিল।

চতুর্দশ শতকে ফরিদপুর সুলতানদের শাসনাধীনে চলে যায়। যদিও ১২০৩ থেকে ১৫৭৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সুলতানগণ বাংলা শাসন করে, তবে পূর্ববঙ্গে সেন রাজত্ব চলে। সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহ (১৪৮১-১৪৮৫ খ্রিঃ) ফরিদপুর ও চন্দ্রদ্বীপের একাংশ দখল করে ফতেহাবাদ পরগনা গঠন করেন। ফরিদপুর মাদারিপুরের প্রথম ঐতিহাসিক নাম ফতেহাবাদ। সুলতান হুসেন শাহ (১৪৯৩-১৫১৯ খ্রিঃ) ফতেহাবাদের জনপ্রিয় শাসক ছিল। ১৫৩৮ হতে ১৫৬৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত শেরশাহ ও তার বংশধরগণ বাংলা শাসন করেন। ১৫৬৪ সাল হতে ১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত কররানি বংশ বাংলার রাজত্ব করে তারপর ১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দ হতে ১৬১১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বারোভূঁইয়ার অধীনে ছিল বাংলা। বারোভূঁইয়াদের অন্যতম ছিল বিক্রমপুরের চাঁদ রায়, কেদার রায় এবং